Header Ads

বিভিন্ন সবজির ভর্তা (প্রথম পর্ব)


ঢেঁড়শ ভর্তা
উপকরণ:
ঢেঁড়শ ১০/১২টা, কাঁচা মরিচ ৭/৮টার কুচি, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, ধনে পাতা কুচি আধা কাপ, লবণ পরিমাণমত। ঘি এক চা চামচ।

প্রণালী:
ঢেঁড়শ হালকা পানি দিয়ে সেদ্ধ দিন। সাথে কেউ কাঁচা মরিচ দিতে পারেন নাও পারেন। সেদ্ধ হলে কাঁচা মরিচ কুচি, ধনে পাতা, লবণ দিয়ে ভালোভাবে চটকে নিন। সাথে এক চামচ ঘি দিলে এই ভর্তার স্বাদ মুখে লেগে থাকবে।


পুদিনা পাতার ভর্তা
উপকরণ:
পুদিনা পাতা কুচি ৪/৫ কাপ, ইলিশ/কই মাছ টুকরা, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, পেঁয়াজ বেরেস্তা আধা কাপ, কাঁচা মরিচ ৭/৮ টা, লবণ পরিমাণমত, তেল অল্প, রসুন কুচি ১ টেবিল চামচ্।

প্রণালী: 
ইলিশ/কই মাছ লবণ দিয়ে তেলে ভাজুন। পুদিনাপাত কুচিতে সব উপকরণ সাথে কাঁটা ছাড়া মাছ দিয়ে ভালোভাবে চটকে নিন। হয়ে গেল মজাদার ভর্তা।
একই পদ্ধতিতে সজনেপাতা, লাউপাতা ও মিষ্টি কুমড়ার পাতা দিয়েও ভর্তা করা যায়। তবে এই সব পাতা সেদ্ধ করতে হবে। সরিষার তেল দিলে ভর্তার স্বাদ, গন্ধ বাড়বে। এই পাতার ভর্তায় টাকি মাছ ব্যবহার করা যায়।


থানকুনি পাতার ভর্তা
উপকরণ:
থানকুনি ভর্তা ৫০/৬০ টা, কাঁচা মরিচ ৭/৮ টা, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, সরিষার তেল দেড় চা চামচ, লবণ পরিমাণ মত।

প্রণালী: 
থানকুনি পাতা ভালো করে ধুয়ে তাওয়ায় হালকা টালুন। এরপর বটি বা ছুরি দিয়ে কুচি কুচি করুন। কাঁচা মরিচ কুচি, পেঁয়াজ, তেল, লবণ দিয়ে চটকে গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করুন। এই ভর্তার সাথে ইচ্ছা করলে শুকনা মরিচ পোড়া ব্যবহার করতে পারেন। এই ভর্তা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুব উপকারী। সেক্ষেত্রে শুকনা মরিচ ব্যবহার করা যাবে না।
তেলাকুচি পাতাও এই পদ্ধতিতে করা যায়। এই পাতা বাগানের ঝোপ ঝাড়ে বেশি দেখা যায়। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এই ভর্তা খুব উপকারী। এই ভর্তা কাঁচা মরিচ দিয়ে চটকালে স্বাস্থ্যসম্মত আর শুকনা মরিচ দিয়ে চটকালে সুস্বাদু।


ধনে পাতা ভর্তা
উপকরণ:
ধনে পাতা কুচি ৪/৫ কাপ, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, কাঁচা মরিচ কুচি আধা কাপ, লবণ পরিমাণমত।

প্রণালী:
সমস্ত উপকরণ মিহি করে বাটায় বাটুন। হয়ে গেল গরম ভাতের সাথে খাওয়ার উপযোগী ভর্তা।

No comments

Powered by Blogger.