বিভিন্ন সবজির ভর্তা (সপ্তম পর্ব)
উপকরণ:
কাঁচা কলা ২ টা, ডিম ১টা, শুকনা
মরিচ ৩/৪টা, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, ধনে পাতা কুচি আধা কাপ, লবণ প্রয়োজনমত।
প্রণালী:
কাঁচা কলা আর ডিম আলাদাভাবে সেদ্ধ
করুন। এবার সব উপকরণ ভালোভাবে মিশান।
কচি লাউ খোসার ভর্তা
উপকরণ:
লাউ এর খোসা ৩ কাপ, পেঁয়াজ কুচি
১ কাপ, রসুন কুচি আধা কাঁপ, ধনে পাতা আধা কাপ, কাঁচা মরিচ ৫/৬ টা, লবণ পরিমাণমত, তেল
অল্প।
প্রণালী:
ফ্রাইপ্যানে অল্প তেল দিয়ে লাউ
এর খোসা লবণ দিয়ে ভাজতে থাকুন। ভাজার মধ্যেই সেদ্ধ হবে। সেদ্ধ হলে ধনে পাতা বাদে বাকী
সব উপকরণ দিয়ে দিন। কিছুক্ষণ ভাজার পর নামিয়ে পাটায় বাটুন। সাথে ধনে পাতা দিন। ভর্তা
মিহি করলে স্বাদ ভালো হবে।
কালি জিরার ভর্তা
উপকরণ:
কালি জিরা আধা কাপ, পেঁয়াজ কুচি
২ চা চামচ, রসুন ২ চা চামচ, লবণ পরিমাণমত। সরিষার তেল ২ চা চামচ, কাঁচা মরিচ কুচি ২
চা চামচ।
প্রণালী:
কালিজিরা তাওয়ায় টেলে বেটে নিন।
কড়াইতে তেল দিয়ে পেঁয়াজ রসুন, কাঁচা মরিচ দিয়ে অনেক নাড়ুন। নাড়তে নাড়তে একসময় হয়ে গেল
মজাদার ভর্তা।
এই কালিজিরার ভর্তা শুধু পেঁয়াজ
কুচি, কাঁচা মরিচ কুচি আর সরিষার তেল দিয়ে হাতে চটকালেও ভালো লাগে।
লাউ বীচির ভর্তা
উপকরণ:
একটা লাউয়ের সবটুকু বীচি। জিরা
বাটা আধা চা চামচ। কাঁচা মরিচ ৪/৫টার কুচি, রসুন বাটা আধা চা চামচ। হলুদ গুঁড়া কোয়ার্টার
চা চামচ। তেল ৪ চা চামচ। টমেটো ১টা। পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, ধনে পাতা, লবণ পরিমাণমত।
১ কাপ পানি। নারিকেল ইচ্ছা করলে দেয়া যেতে পারে। লাউয়ের বীচি শক্ত হলেও অসুবিধা নেই।
প্রণালী:
বীচি মিহি করে বাটুন। কড়াইতে
তেল দিতে হবে। তেল গরম হলে পেঁয়াজ দিন। পেঁয়াজ হালকা বাদামী হলে কাঁচা মরিচ, জিরা,
রসুন ও হলুদ দিন। কিছুক্ষণ নাড়ার পর টমেটো দিতে হবে। এরপর বীচি বাটা দিয়ে অনেকক্ষণ
নাড়ুন। পানি দিয়ে ঢেকে দিন। পানি একদম শুকিয়ে এলে ধনে পাতা দিয়ে নামান। নামানোর আগে
লবণ হয়েছে কিনা দেখে নিন।
জালি কুমড়ার বীচির ভর্তা
উপকরণ:
জালি কুমড়ার বীচি ২ কাপ, জিরা
বাটা আধা চা চামচ, কাঁচা মরিচ ৫/৬টা, রসুন বাটা আধা চা চামচ, পেঁয়াজ বাটা ২ চা চামচ,
ধনে পাতা বাটা ১ চা চামচ, টমেটো কাঁচা/পাকা ১টা, লবণ পরিমাণ মত, তেল ৩/৪ চা চামচ, পানি
১ কাপ।
প্রণালী:
কড়াইতে তেল দিয়ে একে একে
পেঁয়াজ বাটা, রসুন বাটা, জিরা বাটা দিয়ে নাড়ুন। একটু পরে টমেটো, লবণ দিয়ে নাড়তে নাড়তে
বাটা জালি বীচি ঢেকে দিন। কিছুক্ষণ নাড়ার পর পানি দিয়ে ঢেকে দিন। পানি একদম শুকিয়ে
গেলে ধনে পাতা বেটে দিয়ে নাড়া চাড়া করে নামিয়ে ফেলুন।
No comments