Header Ads

সবজির নানাপদ (ষষ্ঠ পর্ব)


আনারস পটলের দিলভরা

উপকরণ:
কচি পটল ৫০০ গ্রাম, আনারস টুকরা করে কাটা ৪০০ গ্রাম, কাঁচা মরিচ ৫০ গ্রাম, আদাবাটা দেড় চা চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, হলুদ গুঁড়া আধা চা চামচ, ধনে গুঁড়া আধা চা চামচ, দই ১ টেবিল চামচ, ঘন নারিকেল দুধ ১ কাপ, তেজপাতা ২টা, জিরা বাটা ১ চা চামচ, চিনি আধা চা চামচ, তেল ও লবণ পরিমাণমত।

প্রণালী:
পটলের খোসা ফেলে দুদিকের মাথা ফেলে দিন। পটল গোটা থাকবে। দইয়ের সঙ্গে হলুদ, মরিচ, ধনে গুঁড়া ফেটান। তেলে পটল, আনারস ভাজুন। তেজপাতা, জিরা ও চিনি দিন। কিছুক্ষণ কষানোর পর মশলা মেশানো দই দিন। নারকেল দুধ দিন। আদাবাটা দিন। সব শেষে কাঁচা মরিচ দিয়ে নামিয়ে ফেলুন।


কিমা বেগুন

উপকরণ:
বেগুন ১টা, গরুর মাংসের কিমা ২০০ গ্রাম, টমেটো ২টা, পেঁয়াজ কুচি ২ কাপ, রসুন বাটা ২ চা চামচ, আদাবাটা ১ চা চামচ, পেঁয়াজ কলি ১ কাপ, গরম মশলা গুঁড়া ১ চা চামচ, তেজপাতা পরিমাণমত। তেল ৪ টেবিল চামচ, মরিচ গুঁড়া ২ চা চামচ, লবণ ও চিনি স্বাদমত।

প্রণালী:
বেগুন খোসা ছাড়িয়ে সেদ্ধ করে নিন। পানি ঝরিয়ে ফেলুন। কিমা কিছুক্ষণ সেদ্ধ করে নিন। কড়াইতে তেল দিন। এবার তেজপাতা, পেঁয়াজ কুচি, রসুন বাটা, সব মশলা একসাথে ভাজুন। তারপর কিমা বেগুন দিন। লবণ, মিষ্টি, টমেটো সব খুব ভালো করে ভাজুন। যখন বেশ শুকনা হবে তখন পেঁয়াজ কলি, গরম মশলা দিবেন।


কুমড়ো বড়ি তৈরির নিয়ম

উপকরণ:
খোসাসহ কাঁচা মাষকলাইয়ের ডাল ১ কেজি, শুকনা সাদা চাল কুমড়ো কুড়ানো আধা কেজি।

প্রণালী:
ডাল সারারাত ভিজিয়ে রাখতে হবে। সকালে বেতের ঝুড়িতে ঘষে খোসা ছাড়িয়ে ধুয়ে নিতে হবে। একদম সাদা হবে এবং কোনো খোসা থাকবে না। চালকুমড়োর বিচি ফেলে ঝিনুক বা কোরানি দিয়ে খুব ভালো করে কুরিয়ে নিন। ভালোভাবে ধুয়ে এমন করে পানি ঝরাতে হবে যেন পানি না থাকে। এবার বাঁশের চালনিতে করে একবেলা রোদে দিন। চালকুমড়োর কাজ আগেরদিন করে রাখলে ভালো হয়। ডাল বাটার পর তার সঙ্গে চালকুমড়ো মিলিয়ে বাটতে হবে। সব বাটা হয়ে গেলে একটা থাকায় অল্প অল্প করে নিয়ে হাতে পানি নিয়ে ফেঠতে হবে। ফেটার সময় যখন হালকা মনে হবে তখন একটি বাটিতে পানি নিয়ে তাতে গোলা ছাড়তে হবে। যদি গোলা ভেসে থাকে তাহলে বুঝতে হবে বড়ি তৈরির উপযোগী হয়ে গেছে।
একটা বড় নেট অথবা মশারির কাপড়ের ওপর রোদে বসে বড়ি দিন। বড়ি দেওয়া হয়ে গেলে দু তিন দিন শুকান। বড়া রোদে শুকিয়ে গেলে নিজে নিজে বড়ি উঠে আসবে। সব বড়ি যখন উঠে আসবে তখন একটা বাঁশের ঝুড়িতে করে আরও ৪/৫ দিন রোদে শুকিয়ে নিন। এতে সহজে বড়িতে পোকা ধরে না। এবার শুকনো বয়ামে ভরে সারা বছর খাওয়া যাবে। বড়ি শীতকাল ছাড়া ভালো হয় না। তাই শীতকাল হচ্ছে বড়ি বানানোর উপযুক্ত সময়।

No comments

Powered by Blogger.